মারুতি উৎপাদন শুরু করেছে

মারুতি  তার  উৎপাদন মে মাসে ১২ তারিখ থেকে মানেসর এর  প্লান্টে শুরু  করেছে :

লকডাউন এর পাশে মে মাসের ১২ তারিখ মানেসর এর  প্লান্টে মারুতি উৎপাদন এর কাজ শুরু করেছে । 

গাড়ি নির্মাতাদের মধ্যে মারুতি এর মত কোম্পানিকে লকডাউন এর জন্যে গত মার্চ মাসের ২২তারিখ থেকে বন্ধ থাকতে হয় । করোনা ভাইরাস মহামারীর ছড়াছড়ি থেকে বাঁচার জন্য রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র সরকার এর ঘোষণার পর প্রতিটি রাজ্য কে  লকডাউন এর নিয়ম পালন করে চলতে হয় । 

সুতরাং মে মাসের ১২ তারিখ থেকে মারুতি কোম্পানি তার মানেসর এর  প্লান্টে উৎপাদন কাজ শুরু করেছে। মারুতি কোম্পানি ভারতের সবচেয়ে বেশি প্যাসেঞ্জার গাড়ি এর নির্মাতা।

কোম্পানির অধিকারী সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বললেন যে এই স্টেপটি নেওয়া হয়েছে ইউনিয়ন মিনিস্টারের সম্মতিতেই যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সবুজ এবং কমলা রংয়ের অঞ্চলের পরিপ্রেক্ষিতে লকডাউন একটু সহজ করে দেওয়া হয়। 

মারুতি উৎপাদন শুরু করেছে

মারুতি এর মত কোম্পানি কে গত মার্চ মাসের ২২ তারিখ থেকে বন্ধ থাকতে হয় লকডাউন এরজন্যে। কোম্পানি যদিও ইতিমধ্যে সকল সরবরাহকারীদের সঙ্গে মিটিং করে । যখন ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু হবে কি করে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেস  তৈরি করা যায়  তা নিয়ে সমস্ত পরিকল্পনা নেয়া হয় ।

মারুতি কোম্পানির সাথে সাথে টু হুইলার ম্যানুফ্যাকচারার গুলো , যেমন টিভিএস মোটর কোম্পানি লিমিটেড এবং রয়েল এনফিল্ড  বানানোর কোম্পানি ইচার মোটর লিমিটেড ও ম্যানুফ্যাকচারিং স্টার্ট করার কথা ঘোষণা করে। অন্যান্য বিখ্যাত ম্যানুফ্যাকচার যেরকম হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড, হিরো মোটো কর্প লিমিটেড, এমজি মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং টয়োটা কিলোস্কার মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড ও এই সপ্তাহের মধ্যে কাজে ফেরার কথা ঘোষণা করে ।

মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া লিমিটেড মে মাসের ১২ তারিখ থেকে মানেসর প্ল্যান্টে কাজ শুরু করে দিয়েছে । কোম্পানির একজন সচিব জানান ,সব কাজকর্ম অত্যন্ত রেগুলেশন  এবং নিরপেক্ষতার সঙ্গে  করা হবে যাতে সব কাজই  সরকারের  বলা নিয়ম অনুসারে কর্মচারীদের  সুস্থ এবং নিরাপত্তা দিকে  সমান চিন্তা  রেখে করা হয় । 

মারুতি সুজুকি  প্রায় ৪৫০০০  ইউনিট বাড়ানোর চেষ্টা করছে মে মাসের মধ্যে এবং জুনের মধ্যে ৬৫০০০  ইউনিট  তৈরি করার চিন্তা-ভাবনা চলছে। অন্যদিকে হুন্ডাই মে মাসের মধ্যে ১২০০০ থেকে ১৩০০০  গাড়ি  বানানোর আশা করছে  ।  দুটো কম্পানি শুরুতে এই জিনিসগুলো নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে রেখেছিল। 

দিল্লির  গাড়ি নির্মাতা ,কোম্পানির ডিলারশিপ এর জন্য এক্সিকিউটিভদের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেস চালু করছে যাতে  ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের নিরাপত্তার দিকে ধ্যান রাখা হয়। লোকাল অথরিটিদের  অনুমতি  সহকারে কোম্পানি  তার কিছু ডিলারশিপ দেশের  অন্যান্য কিছু  প্রান্তে খোলার চেষ্টা চলছে।

ভারতের প্রস্পেক্টিভ কাস্টমাররা কোম্পানির ওয়েবসাইট দেখে গাড়ি বুক করতে পারবে এবং সমস্ত কাগজপত্র ডিজিটাল মাধ্যমে  জমা করতে পারবে

ডিলারশিপ টেস্টের জন্য গাড়িটিকে খুব ভালো করে স্টেরিলাইজেশন করে কাস্টমারদের জন্য নিয়ে যাবেন যাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ধান রাখা হয় ।   টেস্ট ড্রাইভ এর জন্য শুধু  একজন মানুষকে এলাও করা হবে যেখানে  রিলেশনশিপ ম্যানেজার গাড়ির পেছনের  সিট এ বসে থাকবেন ।

মারুতি  সুজুকি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেনিচি আইয়ুকাওয়া এর মতে মারুতি সুজুকি ডিলারশিপ সম্পূর্ণ সেফটি প্রসারের সঙ্গে এবং হাইজিন এবং স্যানিটাইজেশন এর সঙ্গে  খোলা হচ্ছে যেখানে কোম্পানির দায়িত্ব থাকবে সবকটা টাচ পয়েন্ট যাতে কাস্টমার এবং  বিক্রেতাদের   পক্ষে সেফ থাকে । তিনি আরো বলেন যে সব জায়গায় বারবার স্যানিটাইজেশন করা হবে । 

কোম্পানি আরও বলেন যে এমপ্লয়ীদের শারীরিক দিক নিয়ে ওয়েলনেস অ্যাপ এর দ্বারা  নজর রাখা আছে । এমপ্লয়ীদের মধ্যে যারা ১৪ দিন ধরে সুস্থ শরীরে আছে শুধু তারাই কাজে ফিরতে পারবে । ভারতে  প্রত্যেক জায়গার এমপ্লয়ীদের  হাইজিন কি করে মেনটেন করা যায় তা নিয়ে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে । 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *