Physical Address
304 North Cardinal St.
Dorchester Center, MA 02124
Physical Address
304 North Cardinal St.
Dorchester Center, MA 02124
পুনরায় করোনার দাপটে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ব্রিটেনে, দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের পথে ব্রিটেন।
ব্রিটেনে যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে পুনরায় করোনার দাপটে ব্রিটেন আবার লকডাউন ঘোষনা করা হল সে দেশে।দ্বিতীয় দফায় লকডাউন থাকবে চার সপ্তাহ। করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ অতিক্রম করার পর শনিবার এক মাসের জন্য জাতীয় লকডাউন জারি করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
দ্বিতীয় দফায় করোনার প্রকোপে যে বহু মানুষের মৃত্যু হতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউরোপের মধ্যে বর্তমানে ব্রিটেনে মৃত্যুর রেকর্ড বেশি। প্রতিদিন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াচ্ছে ২০ হাজার। দ্বিতীয় দফায় করোনার ৮০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
From Thursday 5 November until 2 December, you must stay at home.
For more information on the new measures watch our video or visit: https://t.co/jZcQqKISec pic.twitter.com/38DGnH3W8j
— Department of Health and Social Care (@DHSCgovuk) November 2, 2020
ডাউনিং স্ট্রিটে সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানান বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এক মাস থাকবে লকডাউন। লকডাউন চলাকালীন সমস্ত রেস্তোরাঁ, জিম,পানশালা, বিশেষ জরুরি হীন সনস্ত দোকানপাট বন্ধ থাকবে৷
গতবার লকডাউনে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকলেও এবার তা হবে না। এই চার সপ্তাহে শুধুমাত্র পড়াশোনা, কর্মক্ষেত্র, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস এবং ওষুধ কিনতে বাড়ি থেকে বেরনো যাবে। লকডাউন শিথিল হবে ২ রা ডিসেম্বরের পর।
বরিস জনসন জানান এই ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই, হয়তো এবছর ক্রিসমাস টা একেবারেই অন্যরকম হবে। তবে কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিবারের সদস্যরা মিলিত হতে পারবে বলে আশাবাদী তিনি।
২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানকার সমস্ত পাব ও রেস্তোরাঁয় টেকঅ্যাওয়ে খোলা থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি । তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন পরিস্থিতি এপ্রিলের তুলনায় আরও খারাপ হতে পারে৷ হাসপাতালের সামর্থ্যের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে রোগীর সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন পুনরায় ক্রমশ পরিস্থিতি বিপদজনক হচ্ছে গ্রেট ব্রিটেনে। ক্রিসমাসের আগে সংক্রমণ ছড়ানো বন্ধ করার ব্যাপারে সমস্ত চেষ্টা করা হবে।
প্রথমবার যখন লকডাউন হয় সেই সময় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ার কারনে করোনা ছড়িয়ে পরে বলে জনসনের প্রতি আক্রমণ করেছিলেন বিরোধীরা। প্রথম দফায় লকডাউন চলেছিল ২৩ মার্চ থেকে ৪ জুলাই। মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেইসময় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলেও এবার তিনি সেই ভুল না করে পরিস্থিতি বিবেচনা করে লকডাউনের ঘোষণা করেছেন।
খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে না বেরোতে বলা হয় সেখানকার নাগরিকদের, পাশাপাশি সমস্ত বিধি মেনে সতর্কতা এবং সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে আগাম বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।