ব্রাজিলের এই গ্রামে থাকেন শুধুই মহিলারা, বিবাহের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছেন পুরুষদের,তবে আছে এই শর্ত

 ব্রাজিলের এই গ্রামে থাকেন শুধুই মহিলারা, বিবাহের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছেন পুরুষদের,তবে আছে এই শর্ত

অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলে, গ্রামটির নাম নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রামে শুধুই মহিলারা থাকেন। গ্রামের মহিলারা বিয়ের পরেও ওই গ্রামেই থাকেন। শর্তসাপেক্ষে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন ৩০০ যুবতী।

ব্রাজিলের এই গ্রামে থাকেন শুধুই মহিলারা, বিবাহের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছেন পুরুষদের,তবে আছে এই শর্ত। শুনতে অবাক লাগলেও এমন গ্রাম আছে যেখানে চারিদিকে শুধুই সুন্দরী রমণীদের বাস।নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রামে বেশিরভাগ নারীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০।

ব্রাজিলের এই গ্রামে থাকেন শুধুই মহিলারা, বিবাহের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছেন পুরুষদের,তবে আছে এই শর্ত। এমন এক গ্রাম যেখানে নেই কোনো পুরুষ। শুধুই রমণীদের দেখা মিলবে এই গ্রামে। শুনতে অবাক লাগলেও এমন গ্রাম আছে যেখানে চারিদিকে শুধুই সুন্দরী রমণীদের বাস। একটি গ্রাম যেখানে শুধু সুন্দরী রমণীদের বসবাস।পাত্র না থাকায় বিয়েও করতে পারেনা ওই গ্রামের রমণীরা। বিয়ের জন্য তারা পাত্রদের কাছে এমন শর্ত রাখে যে পাত্ররা কিছুতেই রাজি হয় না। তাই বেশ কিছুদিন ধরেই এই গ্রামের নারীরা তাদের গ্রামে পুরুষদের আগমন জানাচ্ছেন। এই গ্রামটি অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলে, গ্রামটির নাম নোওয়া ডে করডেরিয়ো।

আরো পড়ুন: ভারত – অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে দেখা গেল ফিল্মি দৃশ্য, হাঁটু গেড়ে ভারতীয় যুবক বিয়ের প্রস্তাব দিলেন অস্ট্রেলিয়ান বান্ধবীকে

ব্রাজিলের এই গ্রামটিতে প্রায় ৬০০ র বেশি নারীর বাস। গ্রামের বেশ কিছু যুবতী অবিবাহিত পুরুষের সন্ধানে ব্যর্থ হয়ে বিবাহিত পুরুষদেরকেই বেছে নেন, যারা মাঝেমধ্যে ওই গ্রামে আসেন। এই ৬০০ জনের মধ্যে গুটিকতক মহিলা বিবাহিত হলেও তারা এই গ্রামেই বাস করে, প্রতি সপ্তাহ মাত্র দুই দিনের জন্য তাদের স্বামীরা আসেন ওই গ্রামে।

ব্রাজিলের নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রামে বেশিরভাগ নারীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ এর মধ্যে। গ্রামের তরুণী থেকে যুবতী মেয়েরা বিয়ের জন্য উৎসাহী কিন্তু তারা কিছুতেই এমন পুরুষের সন্ধান পাচ্ছেন না যারা তাদের শর্ত মেনে বিয়ে করবেন।

এই গ্রামের নারীরা আত্মনির্ভরশীল, তারা যেমন কৃষিকাজে তুখোড় তেমনি সমস্ত দিকেই চতুর।তবে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলেন মারিয়া সেলেনা ডেলিমা। তাঁকে ১৮৯০ সালে জোড় করে বিয়ে দেওয়া হয়, তিনি চলে আসেন শ্বশুরবাড়ি থেকে। তিনি ১৮৯১ সালে নোইভা ডো করডেরিয়ো গ্রামটির প্রতিষ্ঠা করেন। ১২৮ বছরের পুরোনো এই গ্রাম আজও বাইরের জগত থেকে আলাদা রেখেছে নিজেদের।

এতদিন এই গ্রামের যুবতীরা একাই থাকতো, তবে বেশ কিছুদিন হল গ্রামের যুবতীরা নিজেদের সঙ্গীর খোঁজে উঠে পড়ে লেগেছেন। তবে তাদের একটি ছোট শর্ত আছে যে বিয়ের পর স্বামীকেও তাদের সাথে গ্রামেই থাকতে হবে। ওই গ্রামের সর্বমোট প্রায় ৬০০ জনের মধ্যে অর্ধেক নারী বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছেন পুরুষদের। সেই গ্রামের প্রত্যেক নারী স্বাবলম্বী, তাই তারা বিয়ের পরেও সেই গ্রামেই থাকতে চান। তাই যেসব পুরুষরা ওই গ্রামে থাকতে ইচ্ছুক শুধুমাত্র তাদেরকেই বিয়ে করবেন তারা।

আরো পড়ুন: মাত্র তিন দিনে বিশ্বভ্রমণ করে গিনেস বুকে নাম তুললেন আরব আমিরশাহীর তরুণী খাওলা-অল-রোমাইঠি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *